প্রতিটি নামাজের রাকাত
সব মাযহাব দিনে ১৭ রাকাত ফরজে একমত। এর সাথের নফল নামাজ মাযহাবভেদে ভিন্ন।
| নামাজ | ফরজ | সুন্নত (হানাফি) | সুন্নত (শাফেয়ি, হাম্বলি) | নাফিলা (জাফরি) |
|---|---|---|---|---|
| ফজর | ২ | ২ আগে | ২ আগে | ২ আগে |
| যোহর | ৪ | ৪ আগে, ২ পরে | ২ আগে, ২ পরে | ৮ আগে |
| আসর | ৪ | ৪ আগে (গায়রে মুয়াক্কাদা) | ৪ আগে (গায়রে মুয়াক্কাদা) | ৮ আগে |
| মাগরিব | ৩ | ২ পরে | ২ পরে | ৪ পরে |
| এশা | ৪ | ২ পরে, তারপর ৩ বিতর | ২ পরে, তারপর বিতর | ২ পরে, বসে (এক রাকাত গণ্য) |
রাতের নামাজ: হানাফি মাযহাবে বিতর ৩ রাকাত এবং ওয়াজিব; শাফেয়ি, মালেকি ও হাম্বলিতে অন্তত ১ রাকাত এবং সুন্নত। জাফরি মাযহাবে রাতের নামাজ ১১ রাকাত: ৮, তারপর ২ (শাফা), তারপর ১ (বিতর)। মালেকি মাযহাবেও কাছাকাছি সুন্নত আছে এবং ফজরের আগের ২ রাকাতে জোর দেওয়া হয়।
সূত্র
- সহিহ বুখারি ৩৫০, সহিহ মুসলিম ৬৮৫ আয়েশা: নামাজ প্রথমে দুই রাকাত করে ফরজ হয়; সফরে তেমনই থাকে এবং বাড়িতে বাড়ানো হয়। তাই মুসাফির চার রাকাতের নামাজ দুই রাকাত পড়ে।
- সহিহ মুসলিম ৭২৮, তিরমিজি ৪১৫ দিনে বারো রাকাত সুন্নতে জান্নাতে ঘর তৈরি হয়: যোহরের আগে ৪ ও পরে ২, মাগরিবের পরে ২, এশার পরে ২ এবং ফজরের আগে ২।
- সহিহ বুখারি ১১৮০ ইবনে উমর দশ রাকাত মনে রেখেছিলেন: যোহরের আগে ২ ও পরে ২, মাগরিবের পরে ২, এশার পরে ২ এবং ফজরের আগে ২।
- আবু দাউদ ১২৭১, তিরমিজি ৪৩০ আল্লাহ সেই ব্যক্তির উপর রহম করুন যে আসরের আগে চার রাকাত পড়ে।
- সহিহ মুসলিম ৭৫২ বিতর রাতের শেষে এক রাকাত।
- ওয়াসাইলুশ শিয়া, খণ্ড ৪, পৃ. ৪৬ ইমাম সাদিক: ফরজ ও নফল নামাজ মিলে ৫১ রাকাত: ১৭ ফরজ ও ৩৪ নাফিলা, এশার পরে বসে পড়া ২ রাকাত এক গণ্য।
সর্বশেষ হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬